কোনো এলাকার বা সমাজের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সংবাদপত্রের মাধ্যমে মানুষের সামনে তুলে ধরতে চাইলে সম্পাদককে চিঠি লেখা যায়। এই ধরনের চিঠিকে সম্পাদক বরাবর চিঠি বা সম্পাদক বরাবর পত্র বলা হয়। সাধারণত জলাবদ্ধতা, রাস্তার দুরবস্থা, যানজট, বর্জ্য সমস্যা, পরিবেশ দূষণ, পানীয় জলের সংকট কিংবা সামাজিক কোনো বিষয় নিয়ে এই চিঠি লেখা হয়।
এই চিঠির উদ্দেশ্য ব্যক্তিগত কোনো ঘটনা জানানো নয়। বরং এমন একটি জনসমস্যার কথা বলা, যার সঙ্গে অনেক মানুষের দৈনন্দিন জীবন জড়িত। সংবাদপত্রে বিষয়টি প্রকাশিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা সম্ভব হতে পারে।
Letter to editor in bengali লিখতে গেলে তাই তিনটি বিষয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—সমস্যাটি স্পষ্ট করে বলা, তার প্রভাব বোঝানো এবং সম্ভাব্য সমাধানের কথা জানানো। ভাষা হবে সহজ ও আনুষ্ঠানিক, কিন্তু অকারণে কঠিন নয়।
Letter to Editor in Bengali লেখার ফরম্যাট
একটি সম্পাদক বরাবর চিঠিতে কয়েকটি নির্দিষ্ট অংশ থাকে। এগুলো সঠিক ক্রমে লিখলে চিঠিটি পড়তে সুবিধা হয় এবং পরীক্ষার খাতাতেও দেখতে পরিপাটি লাগে।
সাধারণ ফরম্যাটটি হলো:
বরাবর
সম্পাদক
সংবাদপত্রের নাম
ঠিকানা
বিষয়: চিঠির বিষয়
মাননীয় মহাশয়,
প্রথম অনুচ্ছেদে চিঠি লেখার কারণ।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে সমস্যার বিবরণ ও প্রভাব।
তৃতীয় অনুচ্ছেদে সমাধানের প্রস্তাব এবং অনুরোধ।
ধন্যবাদান্তে
নিবেদক
নাম
ঠিকানা বা পরিচয়
পরীক্ষায় প্রশ্নে কোনো নির্দিষ্ট ফরম্যাট বা তথ্য দেওয়া থাকলে সেটিই অনুসরণ করবে। বিভিন্ন পরীক্ষা বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থাপনার নিয়মে সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে।
প্রাপক ও ঠিকানা
চিঠির শুরুতে সম্পাদককে প্রাপক হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এরপর সংবাদপত্রের নাম এবং প্রয়োজন হলে ঠিকানা লেখা হয়।
যেমন:
বরাবর
সম্পাদক
দৈনিক সংবাদ
কলকাতা
প্রশ্নে কোনো নির্দিষ্ট সংবাদপত্রের নাম থাকলে সেটি ব্যবহার করাই ভালো।
বিষয়
বিষয়টি এক লাইনে চিঠির মূল উদ্দেশ্য জানিয়ে দেবে। এটি খুব বড় করার দরকার নেই।
উদাহরণ:
বিষয়: আমাদের এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ।
অথবা,
বিষয়: এলাকায় নিয়মিত বর্জ্য পরিষ্কারের আবেদন।
বিষয়ের মধ্যে সমস্যার পুরো বিবরণ লিখবে না। সেটি মূল বক্তব্যে থাকবে।
সম্বোধন
বিষয়ের পরে সম্পাদককে যথাযথ সম্মান জানিয়ে সম্বোধন করতে হবে। যেমন, “মাননীয় মহাশয়,”।
এর পরেই চিঠির আসল বক্তব্য শুরু করা যায়। “আশা করি আপনি ভালো আছেন” ধরনের ব্যক্তিগত চিঠির প্রচলিত বাক্য এখানে প্রয়োজন নেই।
সম্পাদক বরাবর চিঠি লেখার নিয়ম
চিঠি লেখার আগে বিষয়টি ভালোভাবে বুঝে নেওয়া জরুরি। তুমি কোন সমস্যার কথা বলছ, সেটি প্রথম থেকেই পরিষ্কার থাকা উচিত। প্রথম অনুচ্ছেদে সমস্যাটির পরিচয় দাও। কোথায় সমস্যা হচ্ছে এবং কেন সম্পাদককে বিষয়টি জানানো হচ্ছে, তা দুই-তিনটি বাক্যে বলা যায়।
দ্বিতীয় অংশে সমস্যাটির প্রভাব বোঝাও। কারা অসুবিধায় পড়ছেন, দৈনন্দিন জীবনে কী পরিবর্তন হচ্ছে কিংবা পরিস্থিতি কেন দ্রুত সমাধান করা দরকার—এসব তথ্য এখানে রাখা যায়।
শেষ অংশে সমাধানের কথা বলো। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী ব্যবস্থা নিতে পারে, সে বিষয়ে বাস্তবসম্মত প্রস্তাব দাও। তারপর সংবাদপত্রে বিষয়টি প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি শেষ করো। চিঠির ভাষা হওয়া উচিত সংযত। কোনো ব্যক্তি বা দপ্তরের বিরুদ্ধে রাগের ভাষায় অভিযোগ না করে সমস্যাটি তুলে ধরাই ভালো। অপ্রয়োজনীয় পরিসংখ্যান বা যাচাই না করা তথ্যও ব্যবহার করবে না।
সম্পাদক বরাবর চিঠিতে কোন বিষয় লেখা যায়?
সম্পাদক বরাবর পত্রের বিষয় সাধারণত জনস্বার্থের সঙ্গে যুক্ত হয়। পরীক্ষাতেও নাগরিক সমস্যা এবং সামাজিক বিষয় নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
পরিবেশ দূষণ
বায়ুদূষণ, জলদূষণ, প্লাস্টিক বর্জ্য, শব্দদূষণ বা গাছ কাটার মতো বিষয় নিয়ে লেখা যায়। চিঠিতে দূষণের কারণের পাশাপাশি মানুষের ওপর তার প্রভাবও উল্লেখ করা উচিত।
জলাবদ্ধতা ও নিকাশি ব্যবস্থা
বর্ষার সময় রাস্তায় জল জমে থাকলে তা নিয়ে সম্পাদককে জানানো যায়। কোথায় জল জমছে, চলাচলে কী সমস্যা হচ্ছে এবং নিকাশি ব্যবস্থার কী উন্নতি প্রয়োজন, তা সংক্ষেপে লিখতে পারো।
রাস্তার দুরবস্থা
ভাঙা রাস্তা, বড় গর্ত বা দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়া রাস্তা নিয়ে চিঠি লেখা যায়। এতে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে কী সমস্যা হচ্ছে, সেটি উল্লেখ করা ভালো।
যানজট ও পরিবহন
অতিরিক্ত যানজট, অবৈধ পার্কিং, পর্যাপ্ত গণপরিবহনের অভাব বা রাস্তার অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা নিয়ে সম্পাদক বরাবর চিঠি লেখা যায়।
শিক্ষা ও সামাজিক সমস্যা
স্কুলে পরিকাঠামোর অভাব, গ্রন্থাগারের প্রয়োজন, স্কুলছুট, মাদকাসক্তি, নারী নিরাপত্তা বা শিশুদের খেলাধুলার সুযোগের অভাবও উপযুক্ত বিষয় হতে পারে।

পরীক্ষায় letter to editor in bengali কীভাবে লিখবে?
পরীক্ষায় এই ধরনের চিঠি লেখার সময় প্রথমে প্রশ্নটি ভালো করে পড়ো। সেখানে নির্দিষ্ট কোনো এলাকা, সমস্যা, সংবাদপত্রের নাম বা লেখকের পরিচয় থাকলে সেগুলো ঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। লেখা শুরু করার আগে চারটি বিষয় ঠিক করে নাও:
সমস্যা কী? কোথায় হচ্ছে? কারা ক্ষতিগ্রস্ত? কী ব্যবস্থা নেওয়া দরকার?
এই চারটি প্রশ্নের উত্তর মাথায় থাকলে চিঠির মূল অংশ লেখা সহজ হয়ে যায়।
প্রথম অনুচ্ছেদে সমস্যাটি পরিচয় করিয়ে দাও। দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে তার প্রভাব বলো। তৃতীয় অনুচ্ছেদে সমাধানের কথা তুলে ধরে কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাও।
প্রশ্নের বিষয়ের মধ্যেই থাকো
যদি প্রশ্নে জলাবদ্ধতা নিয়ে চিঠি লিখতে বলা হয়, তাহলে মূল আলোচনা জলাবদ্ধতাকেন্দ্রিক হওয়া উচিত। রাস্তা ভাঙা বা আবর্জনার সমস্যা উল্লেখ করা যেতে পারে, তবে সেটি যদি জলাবদ্ধতার সঙ্গে সম্পর্কিত হয়। অপ্রাসঙ্গিক বিষয় যোগ করলে চিঠি অকারণে বড় হয় এবং মূল বক্তব্য দুর্বল হয়ে যায়।
সহজ ও শুদ্ধ ভাষা ব্যবহার করো
ভালো বাংলা লেখার জন্য কঠিন শব্দের প্রয়োজন নেই। ছোট ও পরিষ্কার বাক্য ব্যবহার করো। একই কথা অন্যভাবে আবার লেখারও দরকার নেই। যে বাক্য একবার পড়লেই বোঝা যায়, সেটিই বেশি কার্যকর।
সমাধানের কথা অবশ্যই রাখো
চিঠির শেষে শুধু “প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি” লিখে থেমে যেও না। কী ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, তা এক বা দুইটি বাক্যে বলো। যেমন, জলাবদ্ধতার ক্ষেত্রে নিকাশি নালা পরিষ্কার করা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করার কথা বলা যেতে পারে।
সম্পাদক বরাবর চিঠি লেখার সময় যে ভুলগুলি এড়াবে
সবচেয়ে সাধারণ ভুল হলো ব্যক্তিগত চিঠির ভাষা ব্যবহার করা। সম্পাদক বরাবর চিঠি একটি আনুষ্ঠানিক পত্র, তাই এর ভাষাও আনুষ্ঠানিক হওয়া দরকার। বিষয় না লেখাও একটি ভুল। বিষয়টি আলাদা করে দিলে চিঠির উদ্দেশ্য শুরুতেই পরিষ্কার হয়।
শুধু অভিযোগ করে চিঠি শেষ করাও ঠিক নয়। সমস্যার সমাধানে কী করা যেতে পারে, সেটি উল্লেখ করা দরকার। একই কথা বারবার লেখা, অপ্রয়োজনীয় দীর্ঘ ভূমিকা দেওয়া এবং অপ্রাসঙ্গিক তথ্য যোগ করাও এড়িয়ে চলবে। আর কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অসম্মানজনক ভাষা ব্যবহার করবে না। অভিযোগ থাকলেও বক্তব্য তথ্যভিত্তিক ও ভদ্র রাখা উচিত।
সম্পাদক বরাবর চিঠির নমুনা
বিষয়: আমাদের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা আবর্জনা পরিষ্কারের আবেদন
বরাবর
সম্পাদক
দৈনিক সংবাদ
কলকাতা
মাননীয় মহাশয়,
আপনার সংবাদপত্রের মাধ্যমে আমাদের এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। আমাদের এলাকার কয়েকটি রাস্তার পাশে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত আবর্জনা জমছে। সময়মতো বর্জ্য সংগ্রহ না হওয়ায় পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে।
জমে থাকা আবর্জনা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং এলাকার পরিবেশ নোংরা হয়ে থাকছে। বৃষ্টির সময় বর্জ্য নিকাশি নালায় ঢুকে জল চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে। এর ফলে পথচারী, দোকানদার এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন কাজে অসুবিধা হচ্ছে।
এই সমস্যা দূর করতে নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। রাস্তার পাশে জমে থাকা আবর্জনা দ্রুত সরানোর পাশাপাশি নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে স্থানীয় প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারিও প্রয়োজন।
অতএব, আপনার সংবাদপত্রে বিষয়টি প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। আশা করি, এলাকার বাসিন্দাদের স্বার্থে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ধন্যবাদান্তে,
নিবেদক
একজন স্থানীয় বাসিন্দা
কলকাতা
সম্পাদক বরাবর চিঠির কাঠামো এক নজরে
পরীক্ষার আগে ফরম্যাটটি মনে রাখার জন্য এই ক্রমটি ব্যবহার করতে পারো:
প্রাপক → সংবাদপত্রের নাম ও ঠিকানা → বিষয় → সম্বোধন → সমস্যার পরিচয় → সমস্যার প্রভাব → সমাধানের প্রস্তাব → অনুরোধ → নিবেদকের পরিচয়
বিষয় বদলালেও এই কাঠামো সাধারণত একই থাকে। শুধু মূল বক্তব্যটি প্রশ্ন অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে।
সম্পাদক বরাবর চিঠিতে ব্যবহারযোগ্য বাক্য
চিঠি লেখার সময় কয়েকটি আনুষ্ঠানিক বাক্য কাজে লাগতে পারে। যেমন, “আপনার সংবাদপত্রের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই”, “সমস্যাটি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে”, “এর ফলে সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন নানা অসুবিধার মুখে পড়তে হচ্ছে” এবং “বিষয়টির দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।”
শেষে লিখতে পারো, “এলাকার বাসিন্দাদের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করছি।”
তবে এগুলো প্রতিটি চিঠিতে হুবহু ব্যবহার করার দরকার নেই। বিষয় অনুযায়ী নিজের ভাষায় বাক্য তৈরি করলে লেখাটি বেশি স্বাভাবিক হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাস্য প্রশ্ন
১. সম্পাদক বরাবর চিঠি কী?
জনস্বার্থের কোনো সমস্যা বা সামাজিক বিষয় সংবাদপত্রের সম্পাদকের নজরে আনার জন্য লেখা আনুষ্ঠানিক চিঠিকে সম্পাদক বরাবর চিঠি বলা হয়।
২. সম্পাদক বরাবর চিঠির ভাষা কেমন হওয়া উচিত?
ভাষা সহজ, শুদ্ধ, ভদ্র এবং আনুষ্ঠানিক হওয়া উচিত। ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অপ্রয়োজনীয় আবেগ এড়ানো ভালো।
৩. সম্পাদক বরাবর চিঠিতে বিষয় লেখা কি জরুরি?
হ্যাঁ। বিষয়টি এক লাইনে লিখলে চিঠির উদ্দেশ্য সহজেই বোঝা যায়। পরীক্ষার প্রশ্নে নির্দিষ্ট নির্দেশ থাকলে সেটি অনুসরণ করবে।
৪. সম্পাদক বরাবর চিঠিতে কী কী বিষয় লেখা যায়?
জলাবদ্ধতা, যানজট, রাস্তার দুরবস্থা, পরিবেশ দূষণ, আবর্জনা, পানীয় জলের সমস্যা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারী নিরাপত্তা এবং অন্যান্য জনস্বার্থের বিষয় নিয়ে লেখা যায়।
৫. সম্পাদক বরাবর চিঠি কতটা বড় হওয়া উচিত?
চিঠির দৈর্ঘ্য পরীক্ষার নির্দেশনা বা প্রকাশের উদ্দেশ্যের ওপর নির্ভর করে। তবে সমস্যার পরিচয়, তার প্রভাব এবং সমাধানের প্রস্তাব যেন স্পষ্ট থাকে। অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি এড়িয়ে সংক্ষিপ্তভাবে লেখা ভালো।
শেষকথা
সম্পাদক বরাবর চিঠি লেখার সময় মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি জনসমস্যাকে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা। ভালো চিঠিতে সমস্যার পরিচয় থাকে, সাধারণ মানুষের ওপর তার প্রভাব বোঝানো হয় এবং শেষে বাস্তবসম্মত সমাধানের কথা বলা হয়।
সঠিক চিঠির ফরম্যাট মেনে সহজ ও শুদ্ধ ভাষায় লিখলে বিষয়টি পাঠকের কাছে দ্রুত পরিষ্কার হয়। পরীক্ষায় লেখার ক্ষেত্রে প্রশ্নের নির্দেশনা অনুসরণ করা এবং অপ্রাসঙ্গিক তথ্য বাদ দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই নিয়মগুলো মনে রাখলে letter to editor in bengali লেখা কঠিন হবে না।
